ঢাকা ০৯:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভেনেজুয়েলা স্টাইলে খামেনিকে তুলে আনার পরিকল্পনা করছেন ট্রাম্প?

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:৩৬:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৪৫ Time View
২৩৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : এবার ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর মতো করেই তুলে আনার পরিকল্পনা করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিউইয়র্ক টাইমসের এক সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে এমন চাঞ্চল্যকর দাবিই করা হয়েছে।

 

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের ভেতরে সরাসরি সেনা অভিযান চালানোর মতো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ সামরিক বিকল্পগুলো খতিয়ে দেখছে। জানুয়ারির শুরুতে ভেনেজুয়েলায় পরিচালিত বিশেষ অভিযানের আদলেই ইরানি ভূখণ্ডে এই ধরনের কমান্ডো অভিযানের পরিকল্পনা করা হতে পারে বলে আভাস পাওয়া গেছে। মূলত ইরানের পারমাণবিক এবং ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনাগুলোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করা এবং দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ক্ষমতাকে দুর্বল করে শাসনব্যবস্থায় ধস নামানোই এই সম্ভাব্য পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য।

 

হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ইরানের চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে তেহরানের কঠোর অবস্থানের প্রতিক্রিয়ায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে এই নতুন এবং বিস্তৃত সামরিক বিকল্পগুলোর একটি তালিকা দেওয়া হয়েছে।

 

ট্রাম্প একদিকে মধ্যপ্রাচ্যে শক্তিশালী নৌবহর ও রণতরী পাঠিয়ে সামরিক চাপের হুমকি দিচ্ছেন, আবার অন্যদিকে কূটনীতির মাধ্যমে ইরানকে একটি নতুন পারমাণবিক চুক্তিতে বাধ্য করার কৌশলও অবলম্বন করছেন। তবে তেহরান এখন পর্যন্ত পিছু হটার কোনো লক্ষণ দেখায়নি। যেকোনো মার্কিন হামলার বিরুদ্ধে দ্রুত ও চূড়ান্ত জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বরিশালে ইউনিলিভার অফিসের সামনে থেকে অটোগাড়ি চুরির অভিযোগ

ভেনেজুয়েলা স্টাইলে খামেনিকে তুলে আনার পরিকল্পনা করছেন ট্রাম্প?

Update Time : ০১:৩৬:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬
২৩৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : এবার ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর মতো করেই তুলে আনার পরিকল্পনা করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিউইয়র্ক টাইমসের এক সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে এমন চাঞ্চল্যকর দাবিই করা হয়েছে।

 

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের ভেতরে সরাসরি সেনা অভিযান চালানোর মতো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ সামরিক বিকল্পগুলো খতিয়ে দেখছে। জানুয়ারির শুরুতে ভেনেজুয়েলায় পরিচালিত বিশেষ অভিযানের আদলেই ইরানি ভূখণ্ডে এই ধরনের কমান্ডো অভিযানের পরিকল্পনা করা হতে পারে বলে আভাস পাওয়া গেছে। মূলত ইরানের পারমাণবিক এবং ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনাগুলোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করা এবং দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ক্ষমতাকে দুর্বল করে শাসনব্যবস্থায় ধস নামানোই এই সম্ভাব্য পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য।

 

হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ইরানের চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে তেহরানের কঠোর অবস্থানের প্রতিক্রিয়ায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে এই নতুন এবং বিস্তৃত সামরিক বিকল্পগুলোর একটি তালিকা দেওয়া হয়েছে।

 

ট্রাম্প একদিকে মধ্যপ্রাচ্যে শক্তিশালী নৌবহর ও রণতরী পাঠিয়ে সামরিক চাপের হুমকি দিচ্ছেন, আবার অন্যদিকে কূটনীতির মাধ্যমে ইরানকে একটি নতুন পারমাণবিক চুক্তিতে বাধ্য করার কৌশলও অবলম্বন করছেন। তবে তেহরান এখন পর্যন্ত পিছু হটার কোনো লক্ষণ দেখায়নি। যেকোনো মার্কিন হামলার বিরুদ্ধে দ্রুত ও চূড়ান্ত জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান।