ঢাকা ০৩:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জামায়াতের ২ নেতা গ্রেপ্তার

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৬:৪৮:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১২২ Time View
২৬৪

নিজস্ব প্রতিবেদক : নির্বাচনী সহিংসতার অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলায় বগুড়ার নন্দীগ্রাম থেকে জামায়াতে ইসলামীর দুই নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থান থেকে তাদের আটক করা হয়।

গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন নন্দীগ্রাম পৌর জামায়াতের বায়তুলমাল সম্পাদক এটিএম মুজাহিদ এবং উপজেলা জামায়াতের যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম। পুলিশ জানায়, নির্বাচনের আগে উপজেলার থালতা মাঝগ্রাম ইউনিয়নের পারশুন গ্রামে সহিংসতার একটি ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় মাঝগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাসুদ রানা মজিদসহ কয়েকজন আহত হন। পাশাপাশি কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে।

 

ঘটনার পর আহত মাসুদ রানা মজিদ নন্দীগ্রাম থানায় ৩৫ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। সেই মামলায় মুজাহিদ ও রাকিবুল ইসলামের নামও অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

নন্দীগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মামলা দায়েরের পর থেকেই অভিযুক্তরা আত্মগোপনে ছিলেন। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের আটকের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে তিনি জানান।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বরিশালে ইউনিলিভার অফিসের সামনে থেকে অটোগাড়ি চুরির অভিযোগ

জামায়াতের ২ নেতা গ্রেপ্তার

Update Time : ০৬:৪৮:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
২৬৪

নিজস্ব প্রতিবেদক : নির্বাচনী সহিংসতার অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলায় বগুড়ার নন্দীগ্রাম থেকে জামায়াতে ইসলামীর দুই নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থান থেকে তাদের আটক করা হয়।

গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন নন্দীগ্রাম পৌর জামায়াতের বায়তুলমাল সম্পাদক এটিএম মুজাহিদ এবং উপজেলা জামায়াতের যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম। পুলিশ জানায়, নির্বাচনের আগে উপজেলার থালতা মাঝগ্রাম ইউনিয়নের পারশুন গ্রামে সহিংসতার একটি ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় মাঝগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাসুদ রানা মজিদসহ কয়েকজন আহত হন। পাশাপাশি কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে।

 

ঘটনার পর আহত মাসুদ রানা মজিদ নন্দীগ্রাম থানায় ৩৫ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। সেই মামলায় মুজাহিদ ও রাকিবুল ইসলামের নামও অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

নন্দীগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মামলা দায়েরের পর থেকেই অভিযুক্তরা আত্মগোপনে ছিলেন। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের আটকের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে তিনি জানান।