ঢাকা ০৮:১৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আওয়ামী লীগ অফিস এখন পাবলিক টয়লেট!

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৬:২৫:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১০৩ Time View
২১৩

অনলাইন ডেস্ক : জামালপুরের বকশীগঞ্জে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের ইউনিয়ন কার্যালয় খোলার চেষ্টার প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে বগারচর এলাকা।

 

শনিবার বিকেলে সারমারা বাজারে বগারচর ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিল শেষে প্রতিবাদ সভায় বক্তারা হুশিয়ারি দিয়ে বলেন যে, দেশবিরোধী অপশক্তিকে আর কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির সুযোগ দেওয়া হবে না। মিছিলে নেতৃত্ব দেন ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম এবং এতে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।

এদিকে আওয়ামী লীগের কার্যালয় খোলার দুঃসাহস দেখানোর প্রতিবাদে ‘জুলাই ঐক্য বকশীগঞ্জ’ নামের একটি সংগঠন ওই কার্যালয়ের সাইনবোর্ড খুলে তাতে অগ্নিসংযোগ করে। প্রতিবাদী শিক্ষার্থীরা ভবনটিতে নতুন সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে সেটিকে ‘পাবলিক টয়লেট’ হিসেবে ঘোষণা করেন। উল্লেখ্য, ২১ ফেব্রুয়ারি সকালে কিছু নেতাকর্মী জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে নিষিদ্ধ কার্যালয়টিতে পতাকা উত্তোলন করলে এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এর প্রতিবাদে জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধারা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, বগারচর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের কোনো সাংগঠনিক তৎপরতা চললে তার সমুচিত জবাব দেওয়া হবে।

 

বগারচর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলমের নেতৃত্বে সারমারা বাজারে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। দলের নেতাকর্মীরা জানান, জজিয়ার সৈনিকরা থাকতে কোনো অপশক্তিকে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে দেওয়া হবে না।

জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধারা ক্ষুব্ধ হয়ে আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ের সাইনবোর্ড পুড়িয়ে দেন এবং জনস্বার্থে ভবনটিকে ‘পাবলিক টয়লেট’ হিসেবে ব্যবহারের ঘোষণা দিয়ে ব্যানার টানিয়ে দেন।

নিষিদ্ধ কার্যালয়ে জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে পতাকা উত্তোলনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝেও তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। জুলাই যোদ্ধারা এমন কর্মকাণ্ডকে শহীদদের রক্তের সাথে বেইমানি হিসেবে অভিহিত করেছেন।

 

বিক্ষোভকারীরা অবিলম্বে অরাজকতা সৃষ্টিকারীদের গ্রেফতারের দাবি জানান। তারা বলেন, এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে নিষিদ্ধ সংগঠনের যেকোনো কার্যক্রম কঠোর হস্তে দমন করতে হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বরিশালে ইউনিলিভার অফিসের সামনে থেকে অটোগাড়ি চুরির অভিযোগ

আওয়ামী লীগ অফিস এখন পাবলিক টয়লেট!

Update Time : ০৬:২৫:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
২১৩

অনলাইন ডেস্ক : জামালপুরের বকশীগঞ্জে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের ইউনিয়ন কার্যালয় খোলার চেষ্টার প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে বগারচর এলাকা।

 

শনিবার বিকেলে সারমারা বাজারে বগারচর ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিল শেষে প্রতিবাদ সভায় বক্তারা হুশিয়ারি দিয়ে বলেন যে, দেশবিরোধী অপশক্তিকে আর কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির সুযোগ দেওয়া হবে না। মিছিলে নেতৃত্ব দেন ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম এবং এতে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।

এদিকে আওয়ামী লীগের কার্যালয় খোলার দুঃসাহস দেখানোর প্রতিবাদে ‘জুলাই ঐক্য বকশীগঞ্জ’ নামের একটি সংগঠন ওই কার্যালয়ের সাইনবোর্ড খুলে তাতে অগ্নিসংযোগ করে। প্রতিবাদী শিক্ষার্থীরা ভবনটিতে নতুন সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে সেটিকে ‘পাবলিক টয়লেট’ হিসেবে ঘোষণা করেন। উল্লেখ্য, ২১ ফেব্রুয়ারি সকালে কিছু নেতাকর্মী জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে নিষিদ্ধ কার্যালয়টিতে পতাকা উত্তোলন করলে এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এর প্রতিবাদে জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধারা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, বগারচর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের কোনো সাংগঠনিক তৎপরতা চললে তার সমুচিত জবাব দেওয়া হবে।

 

বগারচর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলমের নেতৃত্বে সারমারা বাজারে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। দলের নেতাকর্মীরা জানান, জজিয়ার সৈনিকরা থাকতে কোনো অপশক্তিকে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে দেওয়া হবে না।

জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধারা ক্ষুব্ধ হয়ে আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ের সাইনবোর্ড পুড়িয়ে দেন এবং জনস্বার্থে ভবনটিকে ‘পাবলিক টয়লেট’ হিসেবে ব্যবহারের ঘোষণা দিয়ে ব্যানার টানিয়ে দেন।

নিষিদ্ধ কার্যালয়ে জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে পতাকা উত্তোলনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝেও তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। জুলাই যোদ্ধারা এমন কর্মকাণ্ডকে শহীদদের রক্তের সাথে বেইমানি হিসেবে অভিহিত করেছেন।

 

বিক্ষোভকারীরা অবিলম্বে অরাজকতা সৃষ্টিকারীদের গ্রেফতারের দাবি জানান। তারা বলেন, এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে নিষিদ্ধ সংগঠনের যেকোনো কার্যক্রম কঠোর হস্তে দমন করতে হবে।