ঢাকা ১২:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পরকীয়া করায় স্ত্রীকে তালাক, টাকা দিতে না পারায় স্বামীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার

  • Reporter Name
  • Update Time : ১০:০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১৩০ Time View
২৭৩
‎চরফ্যাশন (ভোলা) প্রতিনিধি।। ‎পরকীয়া করায় স্ত্রীকে তালাক, মোটা অংকের টাকা দিতে না পারায় স্বামী নুরনবীর বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে গুজব ছড়ানো হচ্ছে। এবং অপপ্রচারের মাধ্যমে তাকে সামাজিকভাবে হেয় করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
‎
‎সোমবার(৯ ফেব্রুয়ারী) সকাল ১০ টার দিকে ভোলার চরফ্যাশনে একটি পত্রিকা অফিসে লিখিত বক্তব্যে এই অভিযোগ করেন লালমোহন উপজেলার রমাগঞ্জ ইউনিয়ন ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা নুরুল ইসলামের ছেলে মো. নুরনবী।
‎
‎নুরনবী বলেন, ২০২২ সালে তিনি চরফ্যাশন উপজেলার আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়ন ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা নুর হোসেনের মেয়ে তাঁরা বেগমকে পারিবারিকভাবে বিবাহ করেছিলেন।  বিয়ের পর তাদের দাম্পত্য জীবনে দুই সন্তান জন্ম নিয়েছে। প্রথম সন্তান জন্মের সময় স্ত্রী তাঁরা বেগম অন্য এক যুবকের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। বিষয়টি একাধিকবার হাতেনাতে ধরা পড়ার পর নুরনবী উভয় পরিবারকে বিষয়টি জানান, কিন্তু স্ত্রী তাঁরা বেগমের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
‎
‎তিনি আরও বলেন, পরবর্তীতে দ্বিতীয় সন্তান জন্মগ্রহণের পরও স্ত্রী তাঁরা বেগম ফের পরকীয়ায় জড়িয়ে পরে অন্য এক যুবক প্রেমিকের সঙ্গে ধরা পড়েন। সমস্যার সমাধান না হওয়ায় নুরনবী আদালতের মাধ্যমে ২৬ জুন ২০২৫ সালে আইনানুগভাবে স্ত্রী তাঁরা বেগমকে তালাক দিয়েছেন। তালাকের পর স্ত্রী তাঁরা বেগম ও তার পরিবার তার কাছে মোটা অংকের টাকা দাবি করেন। সেই টাকা দিতে না পারায় বিভিন্ন গণমাধ্যম মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
নুরনবী বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালানোর কারনে আমার সম্মানহানি হচ্ছে। এতে আমি ভালোভাবে সমাজে চলাচল করতে পারি না। আমি প্রশাসন ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাছে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখার অনুরোধ জানাচ্ছি। এবং যাচাই-বাছাই ছাড়া এসব গুজবে বিশ্বাস না করার পরামর্শও দিয়েছেন তিনি।
‎
‎সংবাদ সম্মেলনে নুরনবীর পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
‎
‎এবিষয়ে স্ত্রী তাঁরা বেগম টাকা চাওয়ার কথা অস্বীকার করে বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে ধরনের অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।
‎
‎তারাঁ বেগমের মা শাহনাজ বেগম জানান, ২০২২ সালে আমার মেয়ে তাঁরা বেগমের সাথে মো. নুরনবীর সাথে বিয়ে হয়। বিয়ের তিন বছর পর জামাতা নুরনবী আমার মেয়ের কাবিনের টাকা পরিশোধ না করে তাকে ডিভোর্স দেন। আমরা আইনীভাবে লড়াই করবো।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বরিশালে ইউনিলিভার অফিসের সামনে থেকে অটোগাড়ি চুরির অভিযোগ

পরকীয়া করায় স্ত্রীকে তালাক, টাকা দিতে না পারায় স্বামীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার

Update Time : ১০:০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
২৭৩
‎চরফ্যাশন (ভোলা) প্রতিনিধি।। ‎পরকীয়া করায় স্ত্রীকে তালাক, মোটা অংকের টাকা দিতে না পারায় স্বামী নুরনবীর বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে গুজব ছড়ানো হচ্ছে। এবং অপপ্রচারের মাধ্যমে তাকে সামাজিকভাবে হেয় করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
‎
‎সোমবার(৯ ফেব্রুয়ারী) সকাল ১০ টার দিকে ভোলার চরফ্যাশনে একটি পত্রিকা অফিসে লিখিত বক্তব্যে এই অভিযোগ করেন লালমোহন উপজেলার রমাগঞ্জ ইউনিয়ন ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা নুরুল ইসলামের ছেলে মো. নুরনবী।
‎
‎নুরনবী বলেন, ২০২২ সালে তিনি চরফ্যাশন উপজেলার আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়ন ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা নুর হোসেনের মেয়ে তাঁরা বেগমকে পারিবারিকভাবে বিবাহ করেছিলেন।  বিয়ের পর তাদের দাম্পত্য জীবনে দুই সন্তান জন্ম নিয়েছে। প্রথম সন্তান জন্মের সময় স্ত্রী তাঁরা বেগম অন্য এক যুবকের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। বিষয়টি একাধিকবার হাতেনাতে ধরা পড়ার পর নুরনবী উভয় পরিবারকে বিষয়টি জানান, কিন্তু স্ত্রী তাঁরা বেগমের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
‎
‎তিনি আরও বলেন, পরবর্তীতে দ্বিতীয় সন্তান জন্মগ্রহণের পরও স্ত্রী তাঁরা বেগম ফের পরকীয়ায় জড়িয়ে পরে অন্য এক যুবক প্রেমিকের সঙ্গে ধরা পড়েন। সমস্যার সমাধান না হওয়ায় নুরনবী আদালতের মাধ্যমে ২৬ জুন ২০২৫ সালে আইনানুগভাবে স্ত্রী তাঁরা বেগমকে তালাক দিয়েছেন। তালাকের পর স্ত্রী তাঁরা বেগম ও তার পরিবার তার কাছে মোটা অংকের টাকা দাবি করেন। সেই টাকা দিতে না পারায় বিভিন্ন গণমাধ্যম মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
নুরনবী বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালানোর কারনে আমার সম্মানহানি হচ্ছে। এতে আমি ভালোভাবে সমাজে চলাচল করতে পারি না। আমি প্রশাসন ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাছে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখার অনুরোধ জানাচ্ছি। এবং যাচাই-বাছাই ছাড়া এসব গুজবে বিশ্বাস না করার পরামর্শও দিয়েছেন তিনি।
‎
‎সংবাদ সম্মেলনে নুরনবীর পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
‎
‎এবিষয়ে স্ত্রী তাঁরা বেগম টাকা চাওয়ার কথা অস্বীকার করে বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে ধরনের অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।
‎
‎তারাঁ বেগমের মা শাহনাজ বেগম জানান, ২০২২ সালে আমার মেয়ে তাঁরা বেগমের সাথে মো. নুরনবীর সাথে বিয়ে হয়। বিয়ের তিন বছর পর জামাতা নুরনবী আমার মেয়ের কাবিনের টাকা পরিশোধ না করে তাকে ডিভোর্স দেন। আমরা আইনীভাবে লড়াই করবো।