নিজস্ব প্রতিবেদক : ভোলার শিবপুর ইউনিয়নে মধ্যরাতে ঘরে ঢুকে নাছিমা বেগম (৩৫) নামে এক গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় তার ৭ বছরের ছেলে আবির গুরুতর আহত হয়। ঘটনাস্থলেই নাছিমা বেগমের মৃত্যু হয়। আহত শিশুকে উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, কাজের সুবাদে বেশ কয়েক বছর ধরে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থান করছেন নাছিমা বেগমের স্বামী আল আমিন। স্বামী প্রবাসে থাকায় নাছিমা বেগম ছেলে আবিরকে নিয়ে নিজেদের নির্মাণাধীন বসতঘরে বসবাস করে আসছিলেন।
শুক্রবার মধ্যরাতে ঘরে ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় দুর্বৃত্তরা ঘরে ঢুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে নাছিমা বেগম ও তার ছেলেকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করে।
এ সময় ঘটনাস্থলেই নিহত হন নাছিমা বেগম এবং আহত হয় তার পুত্র আবির। পরে শনিবার সকালে আশপাশের লোকজন তাদের সাড়াশব্দ না পেয়ে তাদের ঘরে ঢুকে দেখে নাছিমা বেগমের নিথর মরদেহ পড়ে আছে এবং শিশু আবির আহত অবস্থায় রয়েছে। পরবর্তীতে লোকজন এগিয়ে এসে আহত আবিরকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ভোলা সদর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।
ভোলা সদর মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন, সকালে খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়েছি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা যাচ্ছে এটি হত্যাকাণ্ড।
নিহতের মরদেহের সুরতাহাল রিপোর্ট শেষে মরদেহের ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তা জানা যায়নি। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।