প্রিন্ট এর তারিখঃ নভেম্বর ৮, ২০২৬, ১:০৪ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ জুন ১৬, ২০২৬, ১০:৪৬ এ.এম
ভোলায় পানি উন্নয়ন বোর্ড ঘেড়াও কর্মসূচি
নিজস্ব প্রতিবেদক : ভোলার মেঘনা নদীর ভাঙন রোধে শিবপুর ও মেদুয়া এলাকায় দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবীতে পানি উন্নয়ন বোর্ড ঘেড়াও কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
এসময় ভোলা সদর উপজেলার শিবপুর ও দৌলতখান উপজেলার মেদুয়া ইউনিয়নের দুই শতাধিক মানুষ এই কর্মসূচিতে অংশ গ্রহণ করেন।
আজ মঙ্গলবার (১৬ জুন) বেলা ১১ টার দিকে ভোলার যুগিরঘোল এলাকার পানি উন্নয়ন বোর্ড ডিভিশন-১ এর কার্যালয়ের সামনে প্রায় ঘন্টাব্যাপী এই কর্মসূচি পালন করেন স্থানীয়রা।
এসময় কর্মসূচিতে অংশ গ্রহণ করতে শিবপুর ও মেদুয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা থেকে স্থানীয়রা হাজির হয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সামনের সড়কে বসে কিছু সময় বিক্ষোভ করেন। এরপর পানি উন্নয়ন বোর্ডের গেট দিয়ে ভিতরে প্রবেশ করার সময় পুলিশের বাঁধার মূখে পরে তারা। ওই বাঁধা অতিক্রম করে ভিতরে প্রবেশ করে শ্লোগান দেন। পরে ভোলা পানি উন্নয়ন বোর্ড ডিভিশন-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো: জিয়া উদ্দীন আরিফ এসে তাদের সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন। তার আশ্বসের কিছুক্ষণ পর স্থান ত্যাগ করেন আন্দোলনকারীরা।
এসময় ভোলা পানি উন্নয়ন বোর্ড ডিভিশন-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো: জিয়া উদ্দীন আরিফ বলেন, শিবপুর ও মেদুয়া ইউনিয়ন সিসি ব্লক দ্বারা বাঁধ নির্মাণের জন্য একটি প্রকল্প অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে। আশাকরি সেটি আগামী এক মাসের মধ্যে প্রকল্পটি অনুমোদন হয়ে যাবে বলে দাবী করেন তিনি।
আন্দোলনকারী মো: আল আমিন ও মো: মিরাজসহ একাধিকরা বলেন, দীর্ঘ দিন ধরে শিবপুর ও মেদুয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন অংশ ভাঙনের শিকার হয়েছে। ইতোমধ্যে শিবপুরের ভোলার খাল মৎস্য ঘাট, ফসলি জমি, বসতঘরসহ বিভিন্ন এলাকা বিলিন হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড জিও ব্যাগ ফেললেও কিছুতে ভাঙন ঠেকাতে পারছে না। তাই শিবপুর ও মেদুয়া ইউনিয়নকে ভাঙনের হাত থেকে রক্ষায় আমরা দীর্ঘ দিন ধরে সিসি ব্লক দ্বারা স্থায়ী বাঁধ নির্মানের দাবী করেছি। কিন্তু পানি উন্নয়ন বোর্ড পদক্ষেপ নেয়নি। একারণে আমরা আজ পানি উন্নয়ন বোর্ড ঘেড়াও করেছি। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন আগামী এক মাসের মধ্যে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। তার আশ্বাসে আমরা আজকের কর্মসূচি আপাতত শেষ করেছি। এক মাসের মধ্যে কোন পদক্ষেপ না গ্রহণ করলে আমরা আবারও কঠোর কর্মসূচি পালন করবো বলে জানান তারা।
Daily Janotarkantha