নিজস্ব প্রতিবেদক : ভোলার দৌলতখানে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ৮ জনকে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকাল ৮টার দিকে উপজেলার চরখলিফা ইউনিয়নের মিয়ার হাটে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানায়, চরখলিফা ইউনিয়নের ৪ ওয়ার্ডের দাইমুদ্দি বাড়ির শাখাওয়াত দীর্ঘদিন ধরে মিয়ার হাটে হোটেল ব্যবসা চালিয়ে আসছেন। সম্প্রতি একই বাড়ির ফরিদ গংরা ওই ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি তাদের বলে দাবি করে। এ নিয়ে কয়েক দফা স্থানীয়ভাবে সালিশ বৈঠক হয়েছে। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকালে শাখাওয়াত হোসেন তাঁর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে সংস্কারের কাজ করছিলেন।
এ সময় ফরিদ গংরা দলবল নিয়ে সংস্কার কাজে বাধা দিলে দুপক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডার এক পর্যায়ে ফরিদ ও তাঁর চাচাতো ভাই মাকসুদ ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে শাখাওয়াতের ওপর হামলা করে। এতে শাখাওয়াত হোসেনসহ ৬ জন আহত হন। আহতরা হলেন শাখাওয়াত (৪০), রাজিব (২৭), নাজিম (৩২) ও শহিদুল (২৬)। আহতদের ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ভোলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শাখাওয়াত হোসেন জানান, পৈতৃক সূত্রে পাওয়া জমিতে ঘর তুলে দীর্ঘদিন ধরে হোটেল ব্যবসা চালিয়ে আসছি। সকালে দোকানে সংস্কার কাজ চলছিল। এমন সময় ফরিদ গংরা ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালায়।
এ ব্যাপারে ফরিদ গংদের নুরুল ইসলাম বলেন, শাখাওয়াত হোসেন ফরিদের কাছ থেকে দোকান ভাড়া নিয়ে হোটেল ব্যবসা করছেন। বর্তমানে সে ওই দোকানঘর নিজের বলে দাবি করে। এ নিয়ে আদালতে মামলা চলছে। বিরোধপূর্ণ ওই ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সংস্কার কাজ বন্ধ রাখতে বললে তাদের ওপর হামলা করা হয়। এতে তাদের ৪ জন আহত হন। এ ঘটনায় দৌলতখান থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
দৌলতখান থানা অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) বিপুল চন্দ্র দাস বলেন, অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।