প্রিন্ট এর তারিখঃ নভেম্বর ৫, ২০২৬, ১০:৫৫ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ ফেব্রুয়ারী ২, ২০২৬, ৮:৪৩ এ.এম
তৃণমূলের আস্থার প্রতীক হাসান মামুন : ত্যাগ ও সংগ্রামের এক জীবন্ত ইতিহাস

গলাচিপা-দশমিনা প্রতিনিধি: পটুয়াখালী-৩ আসনে রাজনীতির মাঠ এখন হাসান মামুনময়। দীর্ঘ ৩৪ বছরের রাজনৈতিক জীবনের প্রতিটি বাঁকে তিনি প্রমাণ করেছেন তার দলের প্রতি আনুগত্য এবং জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাবেক এই সফল সভাপতি আজ কেবল একজন নেতাই নন, তিনি এই অঞ্চলের সাধারণ মানুষের ভরসার শেষ আশ্রয়স্থলে পরিণত হয়েছেন ।
রাজপথের লড়াকু সৈনিক :
হাসান মামুনের রাজনৈতিক জীবন ছিল কাঁটা বিছানো। ওয়ান-ইলেভেনের কঠিন সময়ে যখন অনেকে পিছু হটেছিলেন, তখন তিনি জিয়া পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন অতন্দ্র প্রহরীর মতো। বিগত স্বৈরাচারী সরকারের আমলে শত শত মামলা, জেল-জুলুম আর হুলিয়া মাথায় নিয়েও তিনি মাঠ ছাড়েননি। নেতাকর্মীদের দুর্দিনে পাশে থেকেছেন এবং রাজপথে নেতৃত্ব দিয়েছেন অদম্য সাহসে। স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতে, তার এই দীর্ঘ সংগ্রামই তাকে ‘ত্যাগী নেতা’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে ।
তৃণমূলের অকৃত্রিম ভালোবাসা :
পটুয়াখালী-৩ আসনে হাসান মামুনের জনপ্রিয়তার মূলে রয়েছে তার মানবিক কর্মকাণ্ড। বন্যা, নদীভাঙন কিংবা মহামারীর মতো দুর্যোগে তিনি সবসময় ছুটে গেছেন অসহায় মানুষের দুয়ারে । তার অসাম্প্রদায়িক মনোভাবের কারণে শুধু নিজ দল নয়, সাধারণ মানুষ এমনকি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের কাছেও তিনি অত্যন্ত সমাদৃত। বর্তমান নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়া সত্ত্বেও গলাচিপা ও দশমিনা উপজেলা বিএনপির বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী তার সমর্থনে একাট্টা হয়ে মাঠে নেমেছেন।
বিকল্পহীন জনপ্রিয় নেতা :
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, হাসান মামুন নিজের কর্মগুণে এলাকায় এক বিশাল ভোটব্যাংক তৈরি করেছেন। কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচনের লড়াইয়ে থাকলেও, স্থানীয় ভোটারদের মুখে মুখে ফিরছে তার নাম। তারা মনে করেন, একজন পরীক্ষিত এবং এলাকার সন্তান হিসেবে হাসান মামুনই সংসদ সদস্য হয়ে এই অঞ্চলের মানুষের দুঃখ-দুর্দশা দূর করতে সক্ষম।
সংগ্রামী এই নেতার প্রতি সাধারণ মানুষের এমন অকুণ্ঠ সমর্থন প্রমাণ করে যে, প্রকৃত জননেতা কখনো একা হন না; জনগণই তাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। হাসান মামুনের মতো ত্যাগী নেতাদের হাত ধরেই পটুয়াখালী-৩ আসনে নতুন ভোরের স্বপ্ন দেখছে এলাকাবাসী।
Daily Janotarkantha